তিনি বলেন, ‘সকাল (শনিবার) থেকে অভিযানে ১২৩টি টেলিফোন সংযোগ, ১৯৩টি পানির লাইন, ২২৪টি বিদ্যুৎ সংযোগ ও ৫৪টি তিতাসের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আগামীকাল রবিবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’
৩০ মার্চ এক আদেশে ৬ এপ্রিলের মধ্যে হাজারীবাগের ট্যানারি কারখানাগুলোর সব কার্যক্রম বন্ধ করতে বলেন আপিল বিভাগ। এরপর ট্যানারি কারখানাগুলোকে জরিমানা করে আপিল বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন ও পরিবেশের ক্ষতি করায় ১৫৪ ট্যানারি মালিককে বকেয়া বাবদ ৩০ কোটি ৮৫ লাখ জরিমানা পরিশোধের আদেশ স্থগিতের বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করবেন আদালত। এ বিষয়ে আগামী ৯ এপ্রিল শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত,২০০১ সালে ট্যানারি শিল্প হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে নিতে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়ায়, ২০১০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প অন্যত্র সরিয়ে নিতে ২০০৯ সালের ২৩ জুন হাইকোর্ট ফের নির্দেশ দেন। সরকার পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরে ওই সময়সীমা কয়েক দফা বাড়িয়ে ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু এ সময়ের মধ্যেও স্থানান্তর না হওয়ায় পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আদালত অবমাননার মামলা করেন মনজিল মোরশেদ।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম
/ইউআই/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন: