এরশাদের সাজা বাড়ানোর আপিলের রায় ৯ মে

এইচ এম এরশাদদুর্নীতির মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আপিল ও সাজার মেয়াদ বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৯ মে রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। বুধবার দুপুরে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে এরশাদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মজিবুর রহমান।
গত ২৩ মার্চ এরশাদের আপিলের রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারিত থাকলেও বিচারপতি মো.রুহুল কুদ্দুসের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা না করে, মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর নতুন করে বেঞ্চ গঠন করে দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার আগে মামলার নথিপত্র দেখে আদালত বলেন, ‘এরশাদের আপিল ছাড়াও সরকারের আরও দুটি আপিল বিচারাধীন রয়েছে। ওই দুটি আপিলে সরকার এরশাদের সাজা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। এ অবস্থায় বিচারিক আদালতের সাজার রায় বাতিলের জন্য এরশাদ যে আবেদন করেছেন, সেটির ওপর রায় ঘোষণা করলে তা যুক্তিসঙ্গত হবে না। এই বিবেচনায় তিনটি আপিলের ওপর প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হলো।’|
উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার ও উপঢৌকন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এরশাদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১ কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর দীর্ঘ ২৪ বছর পর দুর্নীতি মামলার সাজার বিরুদ্ধে এরশাদের আপিল শুনানি শুরু হয়। দীর্ঘ ২৪ বছর পর সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরুর উদ্যোগ নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন।

/এমটি/ইউআই/ এপিএইচ/