দুদক কার্যালয়ে যে সাত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তারা হলেন— পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খলিলুর রহমান, পাউবোর মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর কবির, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আব্দুল হাই, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ, সিলেটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (উত্তর-পূর্বাঞ্চল) মো. আব্দুল হাই এবং সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দীন।
দুদক মহাপরিচালক মুনীর চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত বছরের ১৬ মে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ওই রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রিপোর্টটি দেওয়া হয়েছে প্রায় এক বছর পর।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, ‘তারা ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের গাফিলতি ছিল, ঠিকমতো মনিটর করেন নাই। পুরো বিষয়টায় অনিয়ম হয়েছে। হাওরে বাঁধ নির্মাণে যতটুকু কাজ করার দরকার ছিল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সেই কাজটি করেনি। দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।’
মুনীর চৌধুরী জানান, ওই সাত কর্মকর্তাকে বুধবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে আরও কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন-
তথ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ৫২ শতাংশ ব্যাংক
চালের দাম বাড়ানোর কারসাজি ঠেকাতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
/আরজে/টিআর/