ওয়াইসিসি সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধ বিচার বিভ্রান্তির জবাব আইসিএসএফের

তুরস্কে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ওয়াইসিসি বৈশ্বিক সম্মেলনে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ বিভ্রান্তির জবাব দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ)। তুরস্কের কচ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এবং ‘আমেরিকান সোসাইটি অফ কমপারেটিভ ল’ এর ইয়ংগার কমপ্যারাটিভিস্ট কমিটি আয়োজিত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল। বৃহস্পতিবার (৪ মে) আইসিএসএফ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সম্মেলনে প্রবন্ধ উপস্থাপকরাএই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০০ জনেরও বেশি আইনজ্ঞ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত হন। সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিটি-বিডি) বিচার প্রক্রিয়ার ওপর তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করে স্ট্রাটেজি ফোরাম। প্রবন্ধ তিনটি ছিল বাংলাদেশে ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটতরাজ, ধর্মান্তরসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে আইসিএসএফ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তুলনামূলক আইনের আঙ্গিকে ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত’ শিরনামে আইসিএসএফ তিন সদস্যের প্যনেলের বিশেষ প্যানেলটির সভাপতিত্ব করেন কচ বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদের পক্ষ থেকে ড. ইসিক ওনেয়।

এছাড়া ‘ভিনদেশী বিধি আমদানির বিধান বনাম বাধ্যকতা: আইসিটি বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত’ শিরোনামে প্রথম প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন আইসিএসএফ ট্রাস্টি ড. রায়হান রশিদ। ‘বাংলাদেশে মানবতার বিরদ্ধে অপরাধের বিচার’ শীর্ষক দ্বিতীয় প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক বাহজাদ জোয়ারদার।

আর ‘আইসিটি বাংলাদেশে ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার: আইন ও ব্যাখ্যা’ শীর্ষক তৃতীয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক এম সানজিব হোসেন। আইসিএসএফ প্যানেলের তিন সদস্যই আমেরিকান সোসাইটি অফ কমপারেটিভ ল এবং কচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বৃত্তিতে সম্মেলনে অংশ নেয়।

১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘আমেরিকান সোসাইটি অফ কমপারেটিভ ল’ তুলনামূলক আইন বিষয়ে বিশ্বের প্রথম সারির সংগঠনগুলোর একটি। খ্যাতিমান আয়োজক আর বহুজাতিক এই সমাবেশে আইসিটি বাংলাদেশ এবং সার্বিক বিচার প্রক্রিয়াকে উপস্থাপন করা ছিল আইসিএসফ এর লক্ষ্য। আইসিএসএফ এর এই তিনটি প্রবন্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রচলিত বিভ্রান্তির সঠিক জবাব ও ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়।

/ইউআই/এসএমএ/এমও/