সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়ে এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পমেকে বর্তমানে তিনটি ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই মেডিক্যাল কলেজের জন্য একনেকের সভায় ৫৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে দু’টি ভবন নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে।
কলেজ স্থানান্তরের এই প্রচেষ্টার কথা জানতে পেরে গত ২৫ এপ্রিল পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘পমেক স্থানান্তরের প্রচেষ্টায় জড়িতরা বলছেন, এর জমি কম। কিন্তু দেশের কয়েকটি মেডিক্যাল কলেজের চেয়ে পমেকের জমির পরিমাণ বেশি এবং প্রয়োজনে এর আশপাশে আরও জমি অধিগ্রহণ করার সুযোগ আছে। কিন্তু স্থানান্তর প্রচেষ্টায় জড়িতরা বহালগাছিয়ায় ভূমি বাণিজ্য করার চেষ্টায় আছেন। শুধু তাই নয়, বহালগাছিয়ার প্রস্তাবিত জমিটি কৃষি জমি, যেখানে চাষাবাদ চলছে। ফলে কৃষি জমিতে কোনও প্রকল্প না নিতে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের সঙ্গেও পমেক স্থানান্তর প্রচেষ্টা সাংঘর্ষিক।’
এসব কারণে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজটিকে বর্তমান স্থানে রেখেই এর অবকাঠামোসহ বাকি সব কাজ দ্রুতগতিতে শেষ করার আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
আরও পড়ুন-
১০ মে ‘ভিশন ২০৩০’ জানাবেন খালেদা জিয়া: ফখরুল
‘৯ বছর ধরে টেমস নদীর ধারে পালিয়ে আছেন বিএনপির রাজপুত্র’
রামপালের দূষণে বছরে ৬ হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু হবে: গ্রিনপিস
/টিআর/এআর/