সমাবেশে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ বলেন, ‘দৈনিক ইনকিলাব বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হোক আমরা চাই না। তাই পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চাকরিচ্যুত সাংবাদিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের বাসভবন ঘেরাও করা হবে।’
একইসঙ্গে অন্য যেসব পত্রিকায় সাংবাদিকদের ছাটাই করা হয়েছে, তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধেরও দাবি জানান তিনি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, ‘দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক হেফাজতে ইসলামকে অর্থায়ন করেন। বিদেশে টাকা পাচার করে বাড়ি ও সম্পদের পাহাড় বানিয়েছেন।’ দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদকের সম্পদের অনুসন্ধান চালাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি আহবান জানান বাদশা।
বাদশা আরও বলেন, ‘দৈনিক ইনকিলাব ছাপা হয় মাত্র নয় থেকে ১০ হাজার। অথচ এক লাখের ওপর মুদ্রণ সংখ্যা উল্লেখ করে সরকারের কাছ থেকে সব ধরনের সুবিধা নেওয়া হয়।’
এ বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহবান জানিয়ে ডিআরইউ সভাপতি বলেন, ‘ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হোক। নইলে সাংবাদিক কর্মচারীরা ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হবে।’
ডিইউজের সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য কুদ্দুস আফ্রাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব অমিয় ঘটক পুলক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি শহিদুল হক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, সাবেক সভাপতি আশরাফুল ইসলাম এবং ইনকিলাব থেকে চাকরিচ্যুত শামিম খান, রবিউল্লাহ রবি, তালুকদার হারুন, আফজাল বারী, আহমদ আতিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
/জেইউ/এসএমএ/