সোমবার (১৫ মে) দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের ‘ঢাকা উত্তর সিটি, প্রচেষ্টার ২ বছর’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক এসব কথা বলেন। ২০১৫ সালের ৬ মে ঢাকা উত্তরের মেয়র হিসেবে শপথ নেন আনিসুল হক। আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন ওই বছরের ১৪ মে। এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষেই আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সহজে বসবাস প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটির উন্নয়নে নগর অ্যাপ করেছি। আপনি চাইলে কোথায় কী আছে তা সহজেই জানতে পারবেন। এর সঙ্গে পুলিশের একটা সংযোগ থাকবে। চাইলেই এর মাধ্যমে ট্র্যাক করতে পারবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দু’বছরে অনেক কাজ করেছি তা না। তবে একটা পরিকল্পনায় পৌঁছেছি।’ ভিন্নরূপের ঢাকা পেতে এসময় মেয়র সবাইকে তার পাশে থাকার আহ্বান জানান।
আনিসুল হক বলেন, ‘উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০ হাজার বিলবোর্ডে উচ্ছেদ করেছি। ১ লাখ ৭৫ হাজার অবৈধ ব্যানার ও ফেস্টুন ফেলে দেওয়া হয়েছে। দুই বছরে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৫৪টি স্থায়ী স্থাপনা, ৪৫০টি স্থায়ী অবকাঠামো, ২ হাজার ৭৬৭ অস্থায়ী অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়েছে। জমি, ফুটপাত ও ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার বর্গফুট।’ এমনকি বিভিন্ন দূতাবাসের দখলে থাকা ফুটপাত উদ্ধারের উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘এ দেশে দরিদ্র হকারদের পাশাপাশি ধনী হকারও আছেন, যারা জনগণের জায়গা দখল করে রেখেছিলেন। আমরা অনেক জমি ও ফুটপাত উদ্ধার করেছি।’ ঢাকা বসবাসের যোগ্য না— এমন ধারণার সঙ্গেও মেয়র একমত নন বলে জানান।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সংবাদপত্রের সম্পাদক, প্রকাশকসহ গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা শহরের বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা নিয়ে মেয়র তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন।
আরও পড়ুন-
বাংলাদেশেও হামলা করেছে র্যানসমওয়্যার
দলের মন্ত্রী-এমপিদের আবারও সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
/ইউআই/টিআর/