সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী বলেন, ‘২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এইচএসসি ভর্তি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ঢাকায় ও বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে চলে যাচ্ছেন। গণমাধ্যমে এ বিষয়টি প্রকাশের পর সবারই তা জানা রয়েছে। এই বাস্তবতায় আমরা হাজারও শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছি। তাই হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করার ঘোষণা দিতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।’ এছাড়া পরের বোরো মৌসুম পর্যন্ত তাদের অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান লিটন।
লিটন নন্দী বলেন, ‘দেশের সাতটি জেলার হাওর অঞ্চলে নয় লাখ হেক্টর জমিতে ৩০ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাছিল। কিন্তু আবাদ করা বোরো ধানের শতকরা ৮০ ভাগ তলিয়ে গিয়েছে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে। প্রায় এক কোটি মানুষ আজ এক মানবেতর পরিস্থিতির শিকার। একই সময়ে খাগড়াছড়ির সাজেকে চলছে দূরবস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুক্রবার (১৯ মে) ছাত্র ইউনিয়নের বেন্দ্রীয় সহসভাপতি তুহিন কান্তি দাশের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম সুনামগঞ্জের শনির হাওড়সহ ওই অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত তিনশ পরিবারকে প্রায় দুই লাখ টাকার ত্রাণ সহযোগিতা সরবরাহ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ, সহসভাপতি সুমন সেন গুপ্ত, তুহিন কান্তি দাশ, সহসাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উল্লাহ, দফতর সম্পাদক দীপক শীল প্রমুখ।
/সিএ/এসএমএ/