আরও জানা গেছে, ধর্ষণের ঘটনায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তাদেরকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। যদিও সাদমানের পাঁচ দিনের রিমান্ড আজ এবং সাফাতের ছয়দিনের রিমান্ড শুক্রবার শেষ হবে।
এদিকে, এ মামলার অপর আসামি নাঈম আশরাফকে বুধবার রাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। তার ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান।
নাঈমের প্রকৃত নাম আব্দুল হালিম। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নে। তার বিরুদ্ধে নিজের নাম পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফসহ পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ওই দুই তরুণীকে তার জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়। ধর্ষণ মামলার বাকি আসামিরা হলো সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।
গত ১১ মে এই মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ১৫ মে রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান থেকে সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করা হয়।
/এসএমএন/বিএল/
আরও পড়ুন:
ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, তবে এখনই সব বলা যাচ্ছে না: মনিরুল ইসলাম
নাঈমকে গ্রেফতারের বিষয়ে জানতো না মুন্সীগঞ্জ পুলিশ
নাঈমের প্রকৃত নাম আব্দুল হালিম