সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে পুলিশের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু ও অনাবিল আনন্দ রায়।
গত ২৯ মে নাজমুল হোসাইনকে হাতকড়া পরা অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ঘটনায় আশুলিয়া থানার ওসিসহ দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের স্বপ্রণোদিত হয়ে তলব করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অসুস্থ নাজমুলকে হাতকড়া পরা অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়।
দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব,পুলিশের আইজিপি,ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি,ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ও আশুলিয়া থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৬ মে ভোর পাঁচটায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আল বেরুনী হলের মার্কেটিং বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান রানা ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের আরাফাত নিহত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হন অনেকে। এ বিষয়ে আদালতের নজরে আসা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন আহত হওয়ার পর তার বন্ধুরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করেন। কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে হাসপাতালের বেডের সঙ্গে তার একহাতে হ্যান্ডকাপ পরানো হয়েছে। খাওয়ার সময় হ্যান্ডকাপ খুলে দিতে অনুরোধ করলেও পুলিশ তা খুলে দেয়নি।
/এমটি/ইউআই/ এপিএইচ/