গত বছরের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় জঙ্গি হামলায় দেশি-বিদেশি ২০ নাগরিক ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়। জঙ্গিরা প্রায় ১২ ঘণ্টা অবরোধ করে রেখেছিল রেস্টুরেন্টটি। পরদিন (২ জুলাই) সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে নিহত হয় পাঁচ জঙ্গি। এসময় সাইফুল ইসলাম চৌকিদার নামে ওই রেস্তোরাঁর একজন শেফও নিহত হন। এছাড়া, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাত দিন পর মারা যান আরেক শেফ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ১৭ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ইতালিয়ান নয় জন, জাপানি সাত জন ও একজন ভারতীয় নাগরিক। নিহত বিদেশি নাগরিকদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাদের স্বজন ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকরা সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এছাড়া, দেশি-বিদেশি প্রচুর সাংবাদিকও সংবাদ সংগ্রহের জন্য যাবেন রেস্টুরেন্টটিতে। এ কারণে ওই এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হলি আর্টিজান হামলার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শ্রদ্ধা জানাতে যারা হলি আর্টিজানে যাবেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের তল্লাশি করে ভেতরে যেতে দেওয়া হবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সদস্য সাদা পোশাকে দায়িত্বরত থাকবেন ওই এলাকায়।
আরও পড়ুন-
অবিন্তা নেই, বেঁচে আছে তার স্বপ্ন
তুমি কোথায়, গুলশানে জঙ্গি হামলা!
দুর্বিসহ স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছেন তারা
এসি রবিউলের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
/এনএল/টিআর/