সমাবেশে বক্তারা এই ধরনের ঘটনার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যর্থতাকেই দায়ি করেন। তারা প্রশ্ন তোলেন, ‘গোয়েন্দাদের কাছে কেন এসব বিষয়ে তথ্য থাকবে না?’
বক্তারা আর বলেন, ‘হলি আর্টিজান কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে, সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও মারা যাচ্ছেন। প্রশ্ন দাঁড়ায়— প্রশাসন কী তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে?’
সমাবেশে উদিচি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সহ-সম্পাদক সংগীতা ইমাম বলেন, ‘আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কেবল চিৎকার করে যাচ্ছি। আর বাংলাদেশ ধীরে ধীরে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। আমরা যারা চিৎকার করি, তাদের সংখ্যালঘু বলা হয়। ধীরে ধীরে চিৎকার দেওয়ার এই সংখ্যাও কমে যাবে, কথা বলার কেউ থাকবে না।’
কোথায় যাচ্ছে এই দেশ প্রশ্ন করে সঙ্গীতা আরও বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। আর একটি প্রাণও যেন না যায়।’
বাকী বিল্লাহ আরও বলেন, ‘জঙ্গী নাটক বন্ধ করেন, জঙ্গীবাদ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।’
সমাবেশ শেষে শাহবাগে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিনটি স্মরণ করা হয়।
/এমটি/ইউআই/এসএমএ/