প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে রফিকুন নবী বলেন,‘শিল্পের জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস খুব জরুরি৷ ১৯৮৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এ উদ্যোগ তাই প্রশংসনীয়৷ আমি আশা করব এ ধারা অব্যাহত থাকবে৷ চারুকলা অনুষদ থেকে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের অনেকে শিল্পচর্চার সঙ্গে আছেন,অনেকে নেই৷ তাদের সবাইকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানাই৷ কারণ,ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শিল্পচর্চা বেগবান হয়।’ প্রদর্শনীটি ১৫ জুলাই পর্যন্ত দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে৷
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন বলেন,‘শিল্পচর্চার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা খুব কঠিন৷ তা সত্ত্বেও অনেকে শিল্পচর্চার সঙ্গে আছেন-এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার৷ প্রদর্শনীতে ছবি বিক্রি হোক বা না হোক,শিল্পচর্চায় থাকাটা প্রশংসনীয়৷ ১৯৮৭'র কথা যদি বলি-ওই সময় অনেক কিছুই সম্ভব ছিল,যা এখন নেই৷ সেসময় তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে কমিটমেন্ট ছিল,তা এখন নেই৷ সবাই এখন অর্থ আর ক্ষমতার পেছনে ছুটছে৷ অ্যালামনাই গঠন করে শিল্পকর্মের চর্চার সঙ্গে থেকে,অর্থ-ক্ষমতার মোহ থেকে দূরে থেকে অনুপম মনুষ্যত্বের অধিকারী হয়ে ওঠা সম্ভব৷'অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজনের আহ্বায়ক রকিবুল আনাম অঞ্জন৷
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক,শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ছেলে প্রকৌশলী ময়নুল আবেদিন প্রমুখ৷ প্রদর্শনীতে অধ্যাপক দেবাশীষ পাল,অধ্যাপক মুকুল বাড়ই,রকিব আনাম অঞ্জন,নবীন লতীফ,নাজিব তারেকসহ ৪২ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে৷
অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের সাবেক শিক্ষার্থী শিল্পী হাসান আহমেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়৷
এএইচ/এসটিএস/এএম/