মারুফ হোসেন বলেন, ‘আরমান হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) আদালতে তোলা হবে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হবে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাতে রমনা মডেল থানায় মামলা করেছেন ২০ বছর বয়সী মেয়েটি। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তার সৎ পিতা আরমান হোসেন (৩৮) একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সাউন্ড টেকনিশিয়ান। গত আট বছর ধরে এই বাবার হাতেই নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আপত্তিকর সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টাও চলছিল দীর্ঘদিন ধরে।
রমনা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মামলার এজাহারে বলা আছে, ২০০৫ সালে আরমান হোসেনকে বিয়ে করেন তার মা। এটি ছিল আরমান ও তার মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের পর থেকেই মায়ের কাছে থাকতে শুরু করেন মেয়েটি। চাকরির কারণে মেয়েটির মা মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডের বাড়ি থেকে সকালে কর্মস্থলে চলে যেতেন। ২০০৮ সালের কোনও একদিন দুপুরে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটিকে আরমান প্রথম ধর্ষণ করেন। এসময় মেয়েটির আপত্তিকর ছবি মোবাইলে তুলে রাখেন আরমান। ছবি ও ভিডিও প্রকাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আরমান এরপর থেকে প্রায়ই তাকে ধর্ষণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন মেয়েটি।
উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন বলেন, ‘নিপীড়নের শিকার মেয়েটি থানায় মামলা করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।’
আরও পড়ুন-
বৈধ অস্ত্রের সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র আমদানি, উদ্বিগ্ন গোয়েন্দারা
/এসএমএন/এনএল/টিআর/