বুধবার (২ আগস্ট) বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব, সংস্কৃতি সচিব, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মহাপরিচালক, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার, গেণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
১৭ জুলাই রিট আবেদনটি দায়ের করেন নূরজাহান বেগম ও রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের মেয়ে ফ্লোরা নাসরিন খাঁন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।
ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ‘১২ জুলাই ভবনটি হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ চেয়ে ফ্লোরা নাসরিন খাঁনের পক্ষে বিবাদীদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভবনটিকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এ নোটিশের কোনও জবাব না পেয়ে রিট করা হয়েছিল।’
ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। রিটে বলা হয়, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নাসিরউদ্দীন, বেগম পত্রিকার সম্পাদক নূরজাহান বেগম এবং শিশু সাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই গেণ্ডারিয়া থানার নারিন্দা এলাকার শরৎগুপ্ত রোডের ৩৮-৩৯ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন। বাড়িটি ‘নাসিরউদ্দীন স্মৃতি ভবন’ নামে পরিচিত। ১৮৯০ সালের দিকে কিশোরগঞ্জের কোনও এক হিন্দু জমিদার এটি তৈরি করেছিলেন। তাই ১২৭ বছরের পরনো এ বাড়িটিকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
সম্প্রতি নূরজাহান বেগমের ছোট মেয়ের জামাই এ বাড়ি ভেঙে বহুতল ভবন তৈরির চেষ্টা করছেন। বিষয়টি উল্লেখ করে বাড়িটি সংরক্ষণে ফ্লোরা খাঁন গত ৬ জুলাই প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কাছে আবেদন করেন। কিন্তু এতে তারা সাড়া দেননি।
/এমটি/এপিএইচ/