এডিসি নাজমুল জানান, বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসার কথা বলে নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ভিডিও ধারণের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি তৈরি করে অর্থ দাবি করে আসছিল হাবীব। দুই নারীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আহসান হাবীব দাওরায়ে হাদিসের শিক্ষার্থী। সে নিজে AHP TV নামে একটি ভুয়া টিভি চ্যানেল খুলে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিত। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সে ধর্মের কথা বলে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে তার জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সে ধর্মের কথা বলে অনেক অনুসারী তৈরি করে। সে নিজেকে পীর দাবি করে জিন তাড়ানোর কথা বলে মেয়েদের নির্যাতন করত। শুধু তাই নয় বিভিন্ন সময়ে মেয়েদের সঙ্গে ইমো ও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে যৌন উত্তেজক কথা বলত এবং অনেক নারীকেই বাসায় এনে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করত।
পুলিশ জানায়, এক নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে হাবীব। অন্য এক নারীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করে সে। তার কম্পিউটার থেকে অন্তত ২০টি ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে।
এডিসি নাজমুল বলেন, ‘পীর দাবি করা ভণ্ড হুজুর নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় ভিডিও করে তার কম্পিউটারে সংরক্ষণ করত। পরে সুযোগমতো ভিডিওগুলোর কথা বলে সেই নারীদের ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা আদায় করত।’ হাবীবের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন-
উত্তরা থেকে বাংলাদেশি পর্ন সাইটের মালিক গ্রেফতার
পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত নেতাসহ নব্য জেএমবির ৫ সদস্য গ্রেফতার
রাজধানীর মুগদা থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
/এআরআর/টিআর/