এর আগে নিম্ন আদালত নৃশংস এ হত্যা মামলায় ২১ আসামির মধ্যে আট জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। পরে মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে রবিবার হাইকোর্ট দু’জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন ও ১৫ জনকে যাবজ্জীবন দেন। খালাস পাওয়া চার ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে ছিল।
হাইকোর্টের রায়ের খালাস পাওয়া সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপুকে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। আর এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তাফাকে দেওয়া হয়েছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দণ্ডপ্রাপ্তদের সবাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মী।
সাইফুলের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কোনাপাড়ায়। টিপুর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরের বাড়িয়াচারায়। গোলাম মোস্তফার বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার রাজুইর। কিবরিয়ার বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়ার চেংগুটিয়ায়।
ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।
চলতি বছরের ১৬ মে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শুরু হয়।
জেএ/এএম