জাতির জনক ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী ও বিদেশে পলাতক আত্মস্বীকৃত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকরের পথ সুগম করার দাবি জানানো হয় মানববন্ধনে। এখানে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত খুনিদের মধ্যে কারও কারও বিচার দেশের মাটিতে কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু এখনও খুনিদের কয়েকজন দেশের বাইরে পলাতক আছে। তাদেরকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে খুনিদের যেসব দোসর এখনও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বেড়াচ্ছে, তাদেরও বিচারের দাবি জানাই আমরা।’
মানববন্ধনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত সব আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে দেশ কলঙ্কমুক্ত হবে। খুনিরা জানবে, বাংলার মাটিতে অপরাধীদের ঠাঁই নেই।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরাও অংশ নেন মানববন্ধনে। এরপর তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ে স্মারকলিপি পেশ করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে— ‘দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফাঁসি হয়ে যাওয়ার সাত বছর পরও অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে না পারায় সমগ্র জাতির মতোই ছাত্রলীগ হতাশ ও চিন্তিত। তাই আমাদের বিশ্বাস, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের স্বঘোষিত খুনিদের দেশে এনে ফাঁসির মঞ্চে তুলে খুনের রাজনীতি বন্ধে পৃথিবীতে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে আপনার মন্ত্রণালয়।’
/জেএইচ/