আহতরা হলেন- দোকান মালিক মো. আলম (৩৩), কর্মচারী আনোয়ার হোসেন (২২) ও কর্মচারী মমিন (২০)।
দগ্ধ আনোয়ার বলেন, ‘আমরা সুগন্ধীর বোতলসহ বিভিন্ন মালামাল হাইড্রোলিক মেশিনের মাধ্যমে চেপ্টা করার কাজ করছিলাম। এসময় বিস্ফোরণ ঘটে।’
বার্ন ইউনিটের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘দগ্ধ তিন জনের কাউকেই আশঙ্কা মুক্ত বলা যাবে না। কারণ, তাদের শ্বাসনালীতে আগুন লেগেছে। আলমের শরীরের ৫৭ শতাংশ, আনোয়ারের ৩০ শতাংশ ও মমিনের ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে আলম ও আনোয়ারের অবস্থা বেশি গুরুতর।’