জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীসহ সরকারি বাহিনীর অমানবিক, নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত অভিযানের উল্লেখ করে আসকের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মিয়ানমার সরকারের সিদ্ধান্তে তাদের বাহিনীগুলোর এ ধরনের আচরণ কয়েকমাস আগেও সংঘটিত হয়েছিল। একটি দেশের বিশেষ একটি জনগোষ্ঠীর প্রতি এ ধরনের হামলা ও আক্রমণে বহু হতাহতের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলেছে, যা গণহত্যার সামিল। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি চলমান সহিংসতা আরও বাড়তে পারে— এ আশঙ্কায় রোহিঙ্গারা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন। এরই মধ্যে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন; যাদের মধ্যে সহিংসতার শিকার অনেক শিশু ও নারী রয়েছেন।’
জাতিসংঘের ‘কফি আনান কমিশনে’র সুপারিশ মেনে মিয়ানমার সরকারকে অবিলম্বে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর অমানবিক, নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত হামলা বন্ধ করতে হবে বলে মনে করে আসক।
আরও পড়ুন-
সীমান্তে সক্রিয় দালাল চক্র, সর্বস্ব হারাচ্ছেন রোহিঙ্গারা