ওসি জানান, শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) অভিযান শেষে বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইন ১৯০৮ (২০০২ সালে সংশোধন) এর ৪ ও ৫ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলা নাম্বার- ৮। র্যাব- ৪ এর ডিএডি হারুনুর রশীদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় আসামি অজ্ঞাত।
গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযান গত শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় শেষ করা হয়। শুক্রবার বিকালে র্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান প্রায় ১০০ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। র্যাবের মুখপাত্র ওইদিন জানান, জঙ্গি আস্তানায় তিন ধরনের ১৭টি শক্তিশালী বোমা পাওয়া গেছে। এছাড়া ৩০টি ইম্প্রোভাইজ হ্যান্ড গ্রেনেড, কেমিক্যাল বোমা ৫০টি, ১০ কেজি গান পাউডার, ৩ কেজি সালফার, স্প্লিন্টার ১৫ কেজি, চারকোল ১৫-২০ কেজি, ইগনাইটিং কর্ড ১৫০০টি, বোমা রাখার খালি বাক্স ৯টি, এক কন্টেনার এসিড, ১১ কন্টেনার দাহ্য পদার্থ, মাস্ক দু’টি ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র ৬১টি। ওই ভবনটি এখন বিস্ফোরকমুক্ত বলেও ঘোষণা করেন তিনি। এছাড়া ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলা র্যাবের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানান তিনি।
গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত থেকে সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানা হিসেবে র্যাব বাড়িটি ঘিরে রাখে। প্রথমে আত্মসমর্পণ করবে বললেও ৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আবদুল্লাহ আরও ছয়জনসহ আত্মঘাতী হয়।