শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সাইফুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি সিঙ্গাপুর থেকে আসা একটি ফ্লাইটে কাপড়ের আমদানি চালানে স্বর্ণ আনা হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে ফ্লাইটটির কার্গো হোল্ড থেকে সাত কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। রাতেই তা পাচার করে দেওয়ার চেষ্টায় ছিল জড়িতরা।’
সাইফুর রহমান বলেন, ‘সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইটটি রাত ১০টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরের চার নম্বর বোর্ডিং ব্রিজে অবতরণ করলে শুল্ক গোয়েন্দারা ফ্লাইটটি ঘিরে ফেলেন এবং বিমানের কার্গো হোল্ড থেকে সন্দেহজনক চালানের প্যালেটটি শনাক্ত করে নামানো হয়। পরে গভীর রাতে প্যালেট থেকে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৬১৮, এসআইএন- ৪৯১৯৮৬৭১ এর পণ্য চালানটি বের করা হয়। চালানটিতে ২৩ কেজি ওজনের সাদা রঙের প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো সাদা, কালো এবং লাল রঙের চারটি কাপড়ের রোল পাওয়া যায়। ওই চারটি রোল কাপড় স্ক্যান করে একটি রোলে স্বর্ণের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া যায়। সেখান থেকে সাতটি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। আটক স্বর্ণবারের প্রতিটির ওজন এক কেজি করে।’
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, চালানের সঙ্গে থাকা কাগজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, সিঙ্গাপুর থেকে রবিন নামের এক ব্যক্তি ঢাকার আরাফাত ফেব্রিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ বরাবর ওই চালানটি পাঠিয়েছেন। এ ব্যাপারে কাস্টমস অ্যাক্ট-১৯৬৯ অনুযায়ী বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।