জানা গেছে, এ সময় একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহত আরও চারজন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে। তখন ঢাবির শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও বুয়েটে সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় হাতাহাতিতে। এ কারণে রাত ১২টার দিকে বুয়েটের ভেতরের সড়ক বন্ধ ছিল কিছু সময়। পরে অবশ্য স্বাভাবিক হয়।
আগের রাতের ঘটনায় জড়িতদের পেয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা। তখন সাদমান নামে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী আহত হন। তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া। আহত অন্যরা হলেন— বুয়েটের আব্দুর সৌরভ, দিব্য মণ্ডল, মুহুরী ও অনিক।
এদিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার পর পলাশী সংলগ্ন দুই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীমুর রশিদ তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য রয়েছে। পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও বের করা যায়নি বলে জানান শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছি আমরা। ছাত্রদের মধ্যে ঝামেলার কারণে বুয়েটের ভেতরে সড়কে যানচলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। এখন সবকিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’