র্যাব-৩ এর সিনিয়র এএসপি আব্দুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দু’জনকে ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে তাদের লিবিয়াতে জিম্মি করে বাংলাদেশে থাকা স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি জানান, ভিকটিম এরশাদ ও এরশাদ খন্দকারকে জিম্মি করে লিবিয়াতে বসে দুটি গ্রুপ তাদের মালিকানা দাবি করে গোলাগুলি করে। এতে তারা দু’জন গুলিবিদ্ধ হন। চার মাস চিকিৎসা শেষে গত ২ আগস্ট আইওএম-এর সহযোগিতায় তারা বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়।