শিশুটির মা তাসলিমা জানান, তিনি পরিবার নিয়ে কামরাঙ্গীরচরে আল মদিনা মসজিদের পাশের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। শনিবার বিকালে তিনি তার বড় ছেলে নাফিজকে মাদ্রাসায় পাঠান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি নাবিলকে বাসায় ঘুমে রেখে মাদ্রাসায় তার বড় ছেলে গেছে কিনা দেখতে যান। ১৫/২০ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন নাবিল খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তার পেটের বামপাশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শিশুটির নানা মো. হাসেম জানান, শিশুটির মামা হাবিব মানসিক রোগী। সেই নাবিলকে ছুরি মেরেছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক মো. বাবুল মিয়া জানান, ছুরিকাঘাতে আহত এক শিশুকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়েছে।