পরে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোহাম্মদ আলীর বাবা আফজাল হোসেন জানান, তার ছেলে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর ছাত্র ছিলেন। বংশারে নিজেদের বাসার পঞ্চম তলায় থাকেন তারা। সোমবার সকালে আলী আহমেদ বাসার ছাদে গেঞ্জি শুকাতে দেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি ছাদে গিয়ে দেখেন গেঞ্জিটি বাইরের সানশেডে পড়ে গেছে। রড দিয়ে গেঞ্জিটি টেনে তোলার সময় পাশে থাকা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তারে রডের সংস্পর্শ হয়। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি ছাদের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়ে যান। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।