বুধবার (০৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করতে গিয়ে মিয়া সেপ্পো এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সেপ্পো বিদায়ী আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ওয়াটকিন্সের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিজ সেপ্পোকে ঢাকায় স্বাগত জানান এবং উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
চলমান রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মাহমুদ আলী মানবিক সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে ধন্যবাদ জানান। তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক বিবৃতির প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী নবনিযুক্ত জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন ও গণস্বাস্থ্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তার জন্য জাতিসংঘকে ধন্যবাদ জানান এবং কেবল উন্নয়নের ক্ষেত্রে নয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সেপ্পো তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং দারিদ্র্য নিরসন ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকারের সাফল্যের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের একটি চিঠি হস্তান্তর করেন।
ফিনল্যান্ডে জন্ম নেওয়া মিয়া সেপ্পো গত ১৬ বছর ধরে জাতিসংঘ সদর দফতর ও মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। মালাবিতে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক এবং সিয়েরা লিওনে কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিলেন তিনি।
খবর: বাসস।