শরিফার বাবা আব্দুল বারেক জানান, তার ৫ মেয়ে, এক ছেলের মধ্যে শরীফা দ্বিতীয়। ৬ মাস আগে তাকে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর রোডের ১১নম্বর বাড়ির বাসিন্দা ব্যবসায়ী নাজমুল আহসানের বাসায় গৃহকর্মী হিসাবে কাজে দেন। গত ৯ নভেম্বর তিনি জানতে পারেন গরম পানি গায়ে পড়ে শরিফা ঝলসে গেছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি বলেন, ‘শরীফার গায়ে কিভাবে গরম পানি পড়লো, তা আমি নিশ্চিত নই।’
উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গৃহকর্মী শরিফা সোমবার ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যায়। পরে হাসপাতালের একটি চক্রের সহযোগিতায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশ নেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করে। উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশকে না জানিয়ে তারা শাহবাগ থানার মাধ্যমে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে আমরা ঢামেক হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্ত করাই। মঙ্গলবার বিকালে পরিবারের কাছে তার মৃতদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’