শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১০ নভেম্বর নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে জিডি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক।
জিডিতে দাবি করা হয়— গত ৬ নভেম্বর অধ্যাপক জামাল উদ্দীন মোবাইল ফোনে প্রভাষক মেহেদী হাসানের সঙ্গে অপমানজনক ও ভীতিউদ্রেককারী ভাষায় কথা বলেন। এ অভিযোগ এনে প্রভাষক মেহেদী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘হুমকির পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সেজন্যই নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছি। ঢাবি প্রক্টর স্যারকেও মৌখিকভাবে জানিয়েছি।’
হুমকির অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অধ্যাপক জামাল উদ্দীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি ভবিষ্যতে নীল দলের নেতৃত্বে আসতে চাই। যারা আমাকে নেতৃত্বে আসতে দিতে চান না, তারাই আমার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্র করছে।’
প্রভাষক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এই অধ্যাপক। তার কথায়, ‘আমি একাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি মেহেদী আমার নামে মিথ্যে তথ্য ছড়াচ্ছে। একটি পত্রিকায় খবরও ছাপিয়েছে। এগুলো সে করছে কিনা তা জানার জন্য ফোন দিয়েছিলাম। আমি জানতে চেয়েছি, আমার বিরুদ্ধে কিছু লেখার আগে আমাকে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল কিনা। এর বাইরে তেমন কোনও কথা হয়নি। কোনও বিষয়ে জানতে চাওয়া কিন্তু হুমকি নয়।’