গণপরিবহনে নৈরাজ্য বন্ধে ৮ দফা দাবিতে বিক্ষোভ কাল

গণপরিবহনরাজধানীসহ সারাদেশে সিএনজি অটোরিকশা আর গণপরিবহনে যাত্রী হয়রানি ও সেবার নামে নৈরাজ্য বন্ধসহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে যাত্রী অধিকার আন্দোলন। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদের মানববন্ধন ও সমাবেশ হবে।
বুধবার (২২ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব শ্রেণিপেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। শিগগিরই গণপরিবহনের নৈরাজ্য বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ যাত্রীদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।
যাত্রী অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক কেফায়েত শাকিল ও যুগ্ম আহ্বায়ক অন্তু মুজাহিদ যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘গণপরিবহনের নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে জণগণের কাছে কিছুদিন সময় চেয়েছিল সরকার। কিন্তু এর মাঝে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নিতে না দেখে আমার হতাশ হয়েছি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘নগরবাসী হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা নিচ্ছে। এ কারণে সিএনজি মালিক-শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে নতুনভাবে ধর্মঘটের নামে যাত্রীদের জিম্মি করার হুমকি দিচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা যাত্রী অধিকার নিয়ে শঙ্কিত।’
সংগঠনটির অভিযোগ— পরিবহন খাত নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ নজরদারি না করায় ও ভাড়ার ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিবহনগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা নিয়মিত বাড়তি ভাড়া আদায়, অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও যাত্রীদের মারধরসহ নৈরাজ্য করে যাচ্ছে। এসব দেখেও না দেখার ভান করছে কর্তৃপক্ষ।

গণপরিবহনে হয়রানি বন্ধ না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে যাত্রী অধিকার আন্দোলনের নেতারা বলেন, ‘বিআরটিএ গণপরিবহনগুলোর লাগাম ধরতে না পেরে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এটা কখনোই কাম্য নয়। বিআরটিএ ব্যবস্থা না নিলে জনগণ যদি রুখে দাঁড়ায় তাহলে উদ্ভুত পরিস্থিতির দায় তাদেরই নিতে হবে।’