শনিবার (২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলো হলো-পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ, পার্বত্য গণপরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তথাকথিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি নামে অসাংবিধানিক কালো চুক্তি বাতিল করতে হবে। শান্তির জন্য করা চুক্তির কারণে অশান্তি আরও বেড়েছে। আগে চাঁদা দিতে হতো একটি সংগঠনকে, এখন দিতে হয় তিনটি সংগঠনকে। জনসংহতি সমিতির পার্টি জেএসএস, ইউপিডিএফ ও জেএসএস (সংস্কার), এসব সংগঠনের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি নামে অসাংবিধানিক কালো চুক্তি বাতিল করতে হবে। আমরা ১৯৭২ সালের সংবিধানের আলোকে পার্বত্য শাসনবিধি চাই। সবক্ষেত্রে পার্বত্য বাঙালিদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের দাবি করে সংগঠনের নেতারা বলেন, অনির্বাচিত জেলা পরিষদ লুটপাটের আখরায় পরিণত হয়েছে। তাই এটা ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন দিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পার্বত্য শান্তিচুক্তি নামে অসাংবিধানিক কালো চুক্তি বাতিল করতে হবে।
বৈষম্যমূলক উপজাতীয় কোটা বাতিল করে পার্বত্য কোটা চালু করার দাবি জানান সংগঠনগুলো নেতারা। তারা বলেন, জাতীয় সংসদে সংশোধিত পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ২০১৬ বাতিল করে সবক্ষেত্রে বাঙালিদের সমঅধিকার বা সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যাহার করে নেওয়া সেনাক্যাম্প পুনরায় স্থাপন করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার দাবিও জানান তারা।
মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান আলকাছ আল মামন ভূইয়া, বান্দরবন জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য কাজী মজিবুর রহমান, নাগরিক পরিষদের মহাসচিব এয়াকুব আলী চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
‘শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে এখনও আন্দোলন করতে হচ্ছে’