বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ইউরোপ প্রবাসী এক সন্ত্রাসী ঢাকায় বন্ধু হেলাল উদ্দিনকে (৩৮) ওই ব্যবসায়ীকে হত্যার নির্দেশ দেয়। পরে হেলাল উদ্দিন কন্ট্রাক্টে ওই নির্দেশ বাস্তবায়ন করে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকা থেকে হেলাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, তার নেতৃত্বেই ব্যবসায়ী সিদ্দিক হোসাইনকে হত্যা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে মোট ছয়জন অংশ নেয়। হেলাল ছিল পরিকল্পনাকারী ও অপারেশন কমান্ডার। ঘটনার দিন ভেতরে চারজন প্রবেশ করে। যাদের দুজনের মাস্ক পড়া ছিল, একজনের ক্যাপ পড়া ছিল এবং অন্যজনের মুখে কিছুই ছিল না। তারা হত্যাকাণ্ডে ২৫ রাউন্ড গুলি ব্যবহার করে। এরপর তারা বের হয়ে বাইরে থেকে অফিসের দরজা লাগিয়ে চলে যায়। এসময় হেলাল ও তার আরেক সহযোগী বাইরে দাঁড়িয়ে ঘটনা মনিটরিং করে।’
উল্লেখ্য, গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় বনানীর এস মুন্সি ওভারসিজ রিক্রটিং এজেন্সির মালিক সিদ্দিক হোসাইনকে তার অফিসে গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় অফিসের চার জন স্টাফও গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে ডিবি উত্তর তদন্ত করছে।