বক্তারা জানান, সম্প্রতি রূপা ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনার প্রতিবাদে দাবিগুলো তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— রূপা, তনু, মিতু, সুরাইয়া, আফসানা হত্যা, খাদিজার ওপর নির্যাতন, বগুড়ায় কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও তার মায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
এছাড়া দেশব্যাপী নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আন্দোলন গড়ে তোলা, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ভূমিকা ইতিবাচক হওয়া, নারী নির্যাতনের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি ও যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা, সব প্রতিষ্ঠানসহ সবার অংশগ্রহণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, প্রতিটি গ্রাম-মহল্লায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন ও ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করার দাবিও জানিয়েছে জেএনএনপিএফ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের ৫৫টি জেলায় ২০১৬ সালে বিভিন্নভাবে নির্যাতিত নারী ও কন্যা শিশুর সংখ্যা ৭ হাজার। তাদের অধিকাংশই শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বেসরকারি সংস্থ্যা ব্র্যাকের এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়েছে বিভিন্ন বয়সী ৫৮৮ জন নারী। আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যাকশন এইডের নারী ও কন্যা শিশুর প্রতিহিংসা বিষয়ক গবেষণায় বিশ্বের ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ষষ্ঠ।
বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন জেএনএনপিএফ বিভিন্ন জেলার নেটওয়ার্ক পার্টনার, অ্যাকশন এইডের প্রতিনিধি কাশফিয়া ফিরোজ, জেএনএনপিএফ-এর চেয়ারপারসন মমতাজ আরা, সবুজ অভিযান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা বেগমসহ বিশিষ্টজনরা।