এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কারী বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্রে দেশের বিশেষ জনগোষ্ঠীর (প্রতিবন্ধী) জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তা না হলে এই শ্রেণির শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিরা সমাজের অগ্রগতিতে অংশ নিতে পারবেন না। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাও তাদের জন্য দুষ্কর। ফলে সরকারের নির্ধারিত কোটাও পূরণ হবে না। এজন্য প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা পরীক্ষা পদ্ধতি রাখা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার মাধ্যমে সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে যে কোটা রয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব হবে।’
এ সময় এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ‘কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না’ বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন মুখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ। তার ভাষ্য, ‘এসডিজির লক্ষ্যগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের নিবিড় সম্পৃক্ততা অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। তা হলে লক্ষ্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাবে।’
অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীদের উপযুক্ত ক্ষেত্র ও সুযোগ করে দিতে পারলে তারা কখনোই বোঝা নন। অন্যদের সঙ্গে এককযোগে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন তারা। এজন্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।’
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন কাসেম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, এসডিজি অতিরিক্ত সচিব ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম মোরশেদ খান, বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিইএফ সভাপতি কামরান টি রহমান প্রমুখ।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৯টি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) প্রচেষ্টায় মেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে তৈরি পোশাকসহ মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৯ জনের চাকরি নিশ্চিত হয়েছে ও আগ্রহী প্রার্থীরা বিভিন্ন স্টলে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।