এসময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিলানী শুভ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির নেতা লিটন নন্দী, তুহিন কান্তি দাস, দীপক শীল প্রমুখ। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
প্রতিবাদে অংশ নেওয়া কর্মীদের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড। এসব প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— ‘সেইভ প্যালেস্টাইন’, ‘ট্রাম্পের একতরফা স্বীকৃতি মানি না’, ‘ইম্পেরিয়ালিজম ডাউন ডাউন’, ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক’, ‘যুদ্ধ নয় আওয়াজ তোলো, শ্বেত ব্যারিকেড ভেঙে ফেলো, লাল ব্যারিকেড গড়ে তোলো’ ইত্যাদি স্লোগান।
মশাল মিছিলটি শাহবাগ চত্বর থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়। এর আগে তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা দাহ করে।
সমাবেশে লিটন নন্দী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জেরুজালেমের জন্য সংগ্রাম করে আসছে ফিলিস্তিন। কিন্তু হঠাৎ করে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করবে। তাই তার এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানাই।’
সমাবেশের শেষে জিলানী শুভ ট্রাম্পের স্বীকৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র ব্যবসা চালানো ও শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ। কিন্তু এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশে থাকা বন্ধুরাষ্ট্র ফিলিস্তিনের পাশে না দাঁড়িয়ে শুধু অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছে। এই অবস্থান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতি বাংলাদেশের নতজানু অবস্থার বহিঃপ্রকাশ। আমরা অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানাচ্ছি। এটা করা না হলে ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আমেরিকার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে।
আরও পড়ুন-
জেরুজালেম প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো