এর আগে, দুপুর ১২টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বছরের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী। জেএসসিতে গড় পাসের হার ৮৩.১০ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ জন। জেডিসিতে গড় পাসের হার ৮৬.৮০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ২৩১ জন। ১০টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৪২ জন, এর মধ্যে পাস করেছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ২৭১ জন।
জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলে দেখা যায়, এ বছর মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৮। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এ বছর জিপিএ ৫ প্রাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫৫ হাজার ৯৬০ জন। এবার পাসের হার ও জিপিএ ৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে মেয়েরা— মেয়েদের পাসের হার ৯৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ছেলেদের ৯৩ দশমিক ১৭। আবার জিপিএ ৫ পাওয়া মেয়ের সংখ্যা ১ লাখ ১০ হাজার ৭৩০ জন, ছেলের সংখ্যা ৮০ হাজার ৮৯৮ জন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘একটা সময় পরীক্ষায় ৫০ শতাংশও পাস করত না। কিন্তু আমরা এখন পাসের হার অনেক বাড়াতে সক্ষম হয়েছি। তবে এবার পাসের হার একটু কমেছে। এটা লুকানোর কিছু নেই। তবে কেন কমলো, তা এখনই বলা যাবে না। আমরা স্টাডি করব, তারপর বলতে পারব।’
কুমিল্লা বোর্ডে এবারও পাসের হার কম কেন— এ প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষার খাতা খুব সচেতনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলেই পাসের হার কমছে বলে মনে করি। তবে এ বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শতভাগ ফেল বিদ্যালয়ের সংখ্যাও বেড়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে কেউ পাস করে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেখানকার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওইসব স্কুলে কেউ পাস করে না মানে সেখানে কিছুই পড়ানো হয় না। তাদের পেছনে খরচ করে তো লাভ নেই। শুধু শুধু সরকারের টাকা নষ্ট।’
আরও পড়ুন-
‘১৯৬১ সাল থেকে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে’
পিইসি-জেএসসিতে কমেছে পাসের হার
পাশের হার কম কেন, মন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা নেই
ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলে দেশজুড়ে উচ্ছ্বাস
নজরদারির কারণে পাসের হার কমেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন
জেএসসির ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী