‘সারাদেশে ৫০টিরও বেশি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে সিটিটিসি’

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) সারাদেশে অর্ধশতরও বেশি সফল অভিযানের মধ্য দিয়ে কঠোরভাবে আমরা দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন করেছে।’ রবিবার দিবাগত রাত ১২টায় ঢাকার গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে রাজধানীর হাতিরঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ ও বনানী এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজানে যে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড হয়েছিল, তারপর থেকে সিটিটিসির একঝাঁক তরুণ কর্মকর্তার নেতৃত্বে আমরা একের পর এক অভিযানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করেছি। সিটিটিসি জঙ্গিদমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সন্ত্রাসী না, আমরা তাদের আশ্রয়দাতা, মদদদাতা ও অর্থদাতাকে খুঁজে খুঁজে আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।’

ডিএমপি কমিশনারের দাবি, বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি এলাকায় নিরাপত্তার জন্য ইউনিফর্ম পরা ও সাদা পোশাকে পুলিশ রয়েছে। তার মন্তব্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসব করতে পারে।

বক্তব্য রাখছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)প্রতি বছরের মতো এবারও নাগরিকরা পুলিশকে সহযোগিতা করছে বলে ঢাকাবাসীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার। তার ভাষ্য, ‘২০১৮ সালে নাগরিকদের নিয়ে একসঙ্গে ঢাকাকে নিরাপদ রাখা হবে। এজন্য আমরা জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবো।’

মাদক প্রতিরোধে প্রত্যেক নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন ডিএমপি কমিশনার। তার কথায়, ‘আমরা মাদকের অপব্যবহার রোধে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেজন্য প্রত্যেক নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি। তাদেরকে জানাতে চাই— আমরা আপনাদের পাশে অতীতে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমরা উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের মেলবন্ধন করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সন্ত্রাসদমনে জনগণের মধ্যে যে ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছে তা বজায় রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’