এর আগে রাজধানীর হাতিরঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ ও বনানী এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজানে যে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড হয়েছিল, তারপর থেকে সিটিটিসির একঝাঁক তরুণ কর্মকর্তার নেতৃত্বে আমরা একের পর এক অভিযানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করেছি। সিটিটিসি জঙ্গিদমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সন্ত্রাসী না, আমরা তাদের আশ্রয়দাতা, মদদদাতা ও অর্থদাতাকে খুঁজে খুঁজে আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।’
ডিএমপি কমিশনারের দাবি, বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি এলাকায় নিরাপত্তার জন্য ইউনিফর্ম পরা ও সাদা পোশাকে পুলিশ রয়েছে। তার মন্তব্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসব করতে পারে।
মাদক প্রতিরোধে প্রত্যেক নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন ডিএমপি কমিশনার। তার কথায়, ‘আমরা মাদকের অপব্যবহার রোধে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেজন্য প্রত্যেক নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি। তাদেরকে জানাতে চাই— আমরা আপনাদের পাশে অতীতে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমরা উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের মেলবন্ধন করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সন্ত্রাসদমনে জনগণের মধ্যে যে ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছে তা বজায় রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’