বেসিক ব্যাংকের সাবেক এমডি ও ডিএমডির সম্পদ অনুসন্ধানের নির্দেশ

বেসিক ব্যাংকবেসিক ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলাম ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফজলুস সোবহানের সম্পদের অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ফজলুস সোবহানকে একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও সৈয়দ মামুন মাহবুব। অন্যদিকে, আসামির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

পরে খুরশীদ আলম  খান বলেন, ‘আদালত ফজলুস সোবহানকে একটি মামলায় জামিন দিয়েছেন। একইসঙ্গে ফখরুল ইসলাম এবং ফজলুস সোবহানের সম্পদের অনুসন্ধান করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন। এখন দুদক আইন অনুসরণ করে তাদের সম্পদের অনুসন্ধান করবে।’

এর আগে ২০১৫ সালের ২১-২৩ সেপ্টেম্বর বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে ১৫৬ জনকে আসামি করে মতিঝিল,পল্টন ও গুলশান থানায় ৫৬টি মামলা করে দুদক। ১৫৬ জন আসামির মধ্যে বেসিক ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন ২৬ জন। বাকি ১৩০ জন আসামি ঋণগ্রহীতা ৫৪ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও সার্ভে প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে ৪৮টি, ডিএমডি ফজলুস সোবহানকে ৪৭টি, কনক কুমার পুরকায়স্থকে ২৩টি এবং ডিএমডি মোনায়েম খানকে ৩৫টি মামলায় আসামি করে দুদক। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আরও  বেশ কয়েকটি মামলা হয়।