বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এ সম্মেলন হবে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের সদস্য সচিব স্থপতি ইকবাল হাবিব। এ সময় অন্যদের মধ্যে ডা. এম এ মতিন, অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, শরীফ জামিল ও অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, বাপা ও বেন ছাড়াও দেশের ৯টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, পাঁচটি শিক্ষা, গবেষণা ও জাতীয় পেশাজীবী, সামাজিক সংগঠন এবং ৩৭টি বেসরকারি সামাজিক আন্দোলন সংগঠন এই সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করছে।
বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল মতিন বলেন, ‘বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে দেশের জনগণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধ্স সমস্যা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সরকারের বিদ্যমান নীতিমালা এসব সমস্যা বরং আরও প্রকট করছে। জনগণের উদ্যোগ ও সক্রিয় ভূমিকা ছাড়া এসব সমস্যার সমাধান এবং সরকারি নীতির সংশোধন হবে না। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণ পরামর্শ দিয়ে সে ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবে।’ তিনি সবাইকে এসব সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ইকবাল হাবীব জানান, সম্মেলনে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে তার মধ্যে রয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি, এর কারণ ও সমাধানের উপায়, পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমিধ্স, এ সমস্যা সৃষ্টিতে ও প্রশমনে ব্যর্থতায় সরকারি নীতি ও প্রকল্পগুলোর ভূমিকা, বিদেশি পরামর্শ ও ঋণের ভূমিকা; পরিবেশ, নাগরিক, পেশাজীবী, সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংগঠন ও মিডিয়ার ভূমিকা। এছাড়াও বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের সমস্যা সমাধানে আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
তিনি জানান, সম্মেলনে দুই ধরনের সভা হবে। বিশেষজ্ঞদের সভা ও সাধারণ মানুষের সভা। এ সম্মেলন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে এজন্য নিবন্ধন করতে হবে। সম্মেলনের আগের দিন রাত ৯টা পর্যন্ত এ নিবন্ধন করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত সম্মেলন চলবে।