সূত্র জানায়, বক্ষব্যাধি হাসপাতালে রোগীদের কফ ও থুথু পরীক্ষার পাশাপাশি তাদের বুকের এক্সরে এবং ফুসফুসের আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। ফুসফুসে পানি জমেছে কিনা, কিংবা টিউমার আছে কিনা তা দেখার জন্য রোগীর আলট্রাসনোগ্রামের প্রয়োজন হয়। এদিকে জানা যায়, এই হাসপাতালের আলট্রাসনোলজিস্ট মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ট্রান্সফার হয়ে গেছেন।
এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. মো. শাহেদুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের এখানে দুটি এক্সরে মেশিন আছে। একটি কাজ করছে, অন্যটি নষ্ট। ভালটি দিয়ে কাজ হচ্ছে। হাসপাতালের আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনটি গত কয়েকদিন ধরে কোনও রিপোর্ট বের করলে সেটা ভুল দেখাচ্ছে। আমরা এটি ঠিক করানোর জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছি। এই মেশিনগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে থাকে ন্যাশনাল মেকানিক্যাল মেইটেন্যান্স (নেমিড)। তাদের ইঞ্জিনিয়ার এসেছেন। ইঞ্জিনিয়ার এক্সরে মেশিনটি ঠিক করার পর আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনটি ঠিক করবে বলে জানিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন এই হাসপাতালে যোগদান করি তখন এখানে সিটি স্ক্যানারটি নষ্ট ছিল। পরে তোশিবার সঙ্গে যোগাযোগ করি। এখন গত এক বছর ধরে মেশিনটি চলছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম পরিদর্শনে এসে আরও একটি সিটি স্ক্যানার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা দ্রুত সেটি পেয়ে যাবো বলে আশা করছি।’
মেশিন নষ্ট থাকায় রোগীদের ক্ষতি হওয়াকে অব্যবস্থাপনা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, ‘এগুলো হচ্ছে অব্যবস্থাপনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সরকার এগুলোকে কন্ট্রোল না করলে চিকিৎসাব্যবস্থা সঠিকভাবে চলবে না।’