শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করছে ‘শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম’

কর্মস্থলে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২০০৫ সালে জাতীয় পর্যায়ের ট্রেড ইউনিয়ন, মানবাধিকার, পরিবেশবাদী এবং উন্নয়ন সংগঠনসমূহের জোট ‘শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম’ গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) এই ফোরামের সচিবালয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের সংবাদ সম্মেলনসম্মেলনে ফোরামের গঠনতন্ত্র, পরিচালনা পদ্ধতি, সার্বিক কার্যক্রম ও কাঠামো পর্যালোচনা, কমিটি গঠন ও ভবিষ্যত রূপরেখা চূড়ান্ত করতে এই সম্মেলনের আয়োজন করে বিলস। শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের আহ্বায়ক ড. হামিদা হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মানবাধিকার সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তার জন্য কর্মী আছে কিন্তু শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য কোনও কর্মী নেই। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবার জন্য এই ফোরামের প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। আমার কাছে খুব ভালো লাগছে যে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এই ফোরাম শ্রমিকদের জন্য কাজ করছে।’

আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে সব শ্রমিককে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এ সংশোধনীর মাধ্যমে ‘শ্রমিক’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রমিকদের জন্য কর্মক্ষেত্র, যথাযথ ক্ষতিপূরণ, ন্যায্য মজুরি, শোভন কর্মপরিবেশ, বিশ্রাম, আট কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণসহ শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আরও অনেক বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়কারী ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, মানবাধিকার কর্মী খুশি কবীর, বিলস এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদসহ আরও অনেকে।