অপসংস্কৃতি রোধে ইসলামি সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ

ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অপসংস্কৃতি রোধে ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিশু কিশোরদের মাঝে ইসলামের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে। বেশি করে এ ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন,   প্রতিযোগিতার আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্রতিভার বিকাশ ঘটছে। মহানবী (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন শান্তির বার্তা নিয়ে। আগামী প্রজন্ম মহানবীর জীবনাদর্শকে ঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলে একটি শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এসব প্রতিযোগিতায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার ও অটিস্টিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রায় ৮৭ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইন উপদেষ্টা এ আর মাছউদ, সুইড বাংলাদেশের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মো. মোজাহারুল মান্নান, পরিচালক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মজুমদার ও মহিলা শাখার কো-অর্ডিনেটর কামরুন্নেছা মান্নান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।