বকশীবাজারে কঠোর নিরাপত্তা, বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের আদালতে ঢুকতে বাধার অভিযোগ

আদালতে ঢোকার পথে কঠোর নিরাপত্তাজিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বকশীবাজার অস্থায়ী আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনজীবীদের আদালতে পৌঁছাতে পেরোতে হচ্ছে পাঁচটি চেকপোস্ট, এন্ট্রি করতে হচ্ছে নাম। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সকাল ১০টা) আদালত চত্বরে গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বিএনপিপন্থী আইনজীবীরাও অভিযোগ করেছেন, আদালতে ঢুকতে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সকাল ১০টা ১৬ মিনিটে আদালতে প্রবেশ করেছেন বিচারক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আদালত চত্বরের আশপাশের এলাকার মধ্যে পলাশী মোড়, বকশীবাজার ও মাঠের গেটে তিনটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া, আদালত চত্বরে ঢোকার মুখেও বসানো হয়েছে দুইটি চেকপোস্ট। এছাড়া, আদালতের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। আদালত এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বজায় রেখেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আদালতে প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হচ্ছে আইনজীবীদের। বিএনপি আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন ও তাহেরুল ইসলাম তৌহিদের সঙ্গেও আদালতে প্রবেশের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এসময় আইনজীবীসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের আদালত থেকে ফিরিয়ে দিতে দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
আদালত চত্বরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বাকবিতণ্ডাবিএনপিপন্থী আইনজীবী ও দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান অভিযোগ করেছেন, পুলিশি বাধার মুখে তিনি আদালতে ঢুকতে পারেননি। বকশীবাজার মোড় থেকে তিনি ফিরে গেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ’২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি খালেদা জিয়া আইনজীবী। আর আমি আজ (আদালতে) ঢুকতে পারলাম না। আমার বলার আর কোনও ভাষা নেই।
আদালত চত্বরে ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের অস্ত্রসহ আদালতে ঢুকতে দেওয়া হবে না। খালেদা জিয়াকে নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন রয়েছে। আমরা তার (খালেদা জিয়া) নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব।’
এদিকে, সকাল ১১টায় খালেদা জিয়া আদালতে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।