শিশুটির কথা প্রথমবার শোনার পর থেকে তাকে পাওয়ার জন্য রীতিমতো লড়াই চালিয়ে যান তিনি। অবশেষে একমাসের আইনি ও আমলাতান্ত্রিক লড়াই শেষে পেলেন শিশুটির অভিভাবকত্ব। তিনি ফেনীর বখতিয়ার মুন্না।
সময় টেলিভিশনের ফেনী ব্যুরো চিফ বখতিয়ার মুন্না বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ‘অবশেষে পুরো একমাস অপেক্ষার পর মেয়েশিশুটির বিকল্প পরিচর্যাকারী হিসেবে অভিভাবকত্ব অর্জনের জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের চিঠি পেলাম। আজ থেকে আমি কন্যা শিশুটির আইনত বাবা। আমার সহধর্মিনী সাবিনা ইয়াসমিন ঝুনু তার মা। একমাত্র ছেলে ওহী ইসলাম তার বড় ভাই। এখন থেকে আমার মেয়ের নাম হবে কায়নাত ইসলাম রুহী।’
দেশে এখন ঠোঁটকাটার চিকিৎসা আছে। সম্ভবত তা জানতেন না শিশুটির মা-বাবা। আর সে কারণেই হয়তো তারা রেখে যান হাসপাতালে।
বখতিয়ার মুন্না বলেন, ‘২১ ডিসেম্বর শিশুটিকে পাওয়ার পর উই ক্যান চেঞ্জ নামের একটি এনজিও তাকে নেয়। তখন শিশুটির নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া হয়। ওখানকার চাইল্ড স্পেশালিস্ট আমাকে বলেন, “আপনি চাইলে শিশুটিকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে পারেন, না হলে শিশুটি বাঁচবে না।” তখন ওই এনজিও’র সহায়তায় আমি ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাই।’ পরিত্যক্ত নবজাতকের নিরাপত্তার জন্য সরকারি যে ব্যবস্থা আছে, তা সহজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার সব ভাইবোনের ছেলে-মেয়েরা বড় হয়ে গেছে। এখন পরিবারে কোনো ছোট শিশু নেই। এখন রুহীই সবার ছোট। ওকে নিয়ে পরিবারের সবাই খুব খুশি।’