প্রশ্নফাঁস হচ্ছে কীভাবে, প্রশ্ন ঢাবির সাবেক উপাচার্যের

 



বক্তব্য রাখছেন ঢাবির সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, দেশে প্রতিদিন প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটছে। কী করে হচ্ছে এসব?

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

ড. আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ  ভাষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি জেলখানায় বন্দি হন। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ এটা আমাদের ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিপূর্ণ দাবি ছিল। কারণ, তৎকালীন পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৫৬ ভাগ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলতো। আর আমাদের দাবির যৌক্তিকতা ছিল এই যে, আমরা বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করেছিলাম। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অন্যায়ভাবে বাংলা ভাষার দাবি প্রত্যাখান করে, বাঙালিদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু করে।’

তিনি বলেন, ‘ভাষাকে কেন্দ্র করে সবকিছু থেকে উঠে এসে আজকে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। তাই আমাদের এই ভাষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ— মানুষের উন্নয়ন ও ভাষার উন্নয়নের মাধ্যমে তার বিকাশ ঘটানো। অথচ আমরা প্রতারিত হচ্ছি— নিজেদের দেশের মানুষকেও কিনা আমরা প্রতারিত করছি। দেশে প্রতিদিন প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটছে। কী করে হচ্ছে এসব?’

ভাষার উন্নতির মাধ্যমে নিজেদের উন্নতি ও আত্মশুদ্ধির চর্চা করতে উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য। 

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন— শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল ভূঁইয়াসহ প্রমুখ।