মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাষ্ট্রপক্ষের এক আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে সময় আবেদন ও এর শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা।
এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৯৯৮ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে রাঙামাটির বাঙালি অধিবাসী মো. বদিউজ্জামান হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন।
পরে ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তাজুল ইসলাম শান্তিচুক্তির বৈধতা নিয়ে অন্য একটি রিট আবেদন করেন। বদিউজ্জামানের রিট আবেদনের পর হাইকোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানাতে রুল জারি করেন সরকারের প্রতি। অন্যদিকে তাজুল ইসলামের রিট আবেদনে পার্বত্য শান্তিচুক্তি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানাতে সরকারের প্রতি রুল জারি করা হয়।
এর আগে ২০১০ সালের ১২ ও ১৩ এপ্রিল বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন বাতিল করে রায় দেন।
রায়ে শান্তিচুক্তির পর প্রণীত পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ আইন অসাংবিধানিক বলে রায় দেন হাইকোর্ট। তবে রায়ে পার্বত্য শান্তিচুক্তিকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ৩ মার্চ লিভ টু আপিল গ্রহণ করেন আপিল বিভাগ। এরপর মামলাটির ওপর আপিল শুনানি শুরু হয়।
এর প্রেক্ষিতে গত ৩০ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন বাতিলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য মঙ্গলবার (৬ মার্চ) দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।