সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৮-২০১৯ সেশনের নির্বাচনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সেই প্যানেল ঘোষণার পর বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের আরেকটি অংশ বিএনপি চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে বিদ্রোহী প্যানেল ঘোষণা করেছেন।
এর আগে গত ৬ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে সভাপতি প্রার্থী ও বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে সম্পাদক প্রার্থী করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল ঘোষণা করা হয়। এই প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন- সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া, এমডি গোলাম মোস্তফা, কোষাধ্যক্ষ নাসরিন আক্তার, সহ-সম্পাদক কাজী জয়নুল আবেদীন, আনজুমানারা বেগম মুন্নী, সদস্য ব্যারিস্টার সাইফুর আলম মাহমুদ, জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, এমদাদুল হক, মাহফুজ বিন ইউসুফ, সৈয়দা শাহীনারা লাইলী, নাসরিন খন্দকার শিল্পী।
পাল্টা কমিটি ঘোষণার বিষয়ে বিদ্রোহী প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী আইনজীবী এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তির জন্য যারা আন্দোলন করে যাচ্ছে, যারা আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাদের বাদ দিয়ে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রতি বছরই একই ব্যক্তিদের প্রার্থী করা হচ্ছে। এতে বিএনপিপন্থী ও সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েছে। ক্ষোভের প্রতিফলনেই আমাদের এই প্যানেল। আমরা এ প্যানেল থেকেই নির্বাচনে যাবো।’
প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের ১ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে মনোনয়ন সংগ্রহ ও দাখিল করতে হবে। এরপর প্রার্থীরা চাইলে ১৪ মার্চ মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও একইদিনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ২১ ও ২২ মার্চ দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১৪টি পদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন ৬ হাজার ২৫২ জন আইনজীবী।
আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২১ ও ২২ মার্চ