ড. জাফর ইকবালকে হামলাচেষ্টার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আবেদ খান বলেন,‘জাফর ইকবালের ওপর হামলা শুধু জাফর ইকবালের ওপর হামলা নয়, এটা মুক্তবুদ্ধির ওপর হামলা, মুক্তিযুদ্ধের ওপর হামলা, দেশের সব সচেতন মানুষের ওপর হামলা। জাফর ইকবালের ওপর হামলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে, তা সরকার ইচ্ছা করলে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পারতো।’
তিনি বলেন,‘যারা মুক্তবুদ্ধির লেখক, তাদের লেখনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু যারা হামলাকারীর পক্ষে কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে কিছু কি করা হবে? সরকারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে হামলাকারীর সহযোগীদের খুঁজে বের করা।’
প্রতিবাদ সমাবেশে বীর শ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ছেলে গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘এ সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, তখন আমাদের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষা পূরণ হয়েছে। এ দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়েছে। আজ যদি দেশ স্বাধীন না হতো তবে আপনারা এসপি, ডিসি দূরে থাক, কেরানিও হতে পারতেন কিনা, সন্দেহ আছে। আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একটা কোটা দিলেই আপনাদের আপত্তি, সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।’
চিত্রশিল্পী কামাল পাশা বলেন, ‘যখন শত্রু সামনাসামনি থাকে তখন আমরা ভয় পাই না। কারণ আমরা জানি লড়াই করতে হবে। কিন্তু শত্রু যখন ঘাপটি মেরে থাকে, ভয় সেখানেই। এই লুকিয়ে থাকা শত্রুদের খুঁজে বের করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট হারুন হাবিব, চিত্রশিল্পী কামাল পাশা, প্রজন্ম ’৭১-এর সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ।