শনিবার (১০ মার্চ) বিকালে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এ আয়োজন করে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ৮২ বছরে পা রাখেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফুল ও বই দিয়ে আনিসুজ্জামানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট নাগরিকরা, বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ তার গুণমুগ্ধরা। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘সরকার যেন এ গুণী শিক্ষককে জাতীয় অধ্যাপক ঘোষণা করে, সে আবেদন জানাই।’
বক্তারা বলেন, আনিসুজ্জামান এ সময়ের বাতিঘর। তার মতো ব্যক্তির আরও অনেকদিন বেঁচে থাকা দরকার। তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি এক প্রেরণার নাম। কেউ কেউ বললেন, ভাষা আন্দোলনে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অগ্রগণ্য অবদান ছিল। কিন্তু সে অবদানের কথা সেভাবে উঠে আসছে না। তিনি নিজেও সেটিকে স্বউদ্যোগী হয়ে প্রকাশ করছেন না। এটা তুলে ধরা উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার সরাসরি আমার শিক্ষক ছিলেন না। কিন্তু তার লেখনি ও সাহিত্যের মাধ্যমে আমি যা জেনেছি তা শিক্ষকের চেয়ে ঢের বেশি। জাতির ক্রান্তিকালে তিনি এ জাতিকে পথ দেখিয়েছেন। তিনি একজন পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল।’
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আনিসুজ্জামানের স্ত্রী সিদ্দিকা জামান, আয়োজক দুই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ও মো. আরিফ হোসেন।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, শিল্পী হাশেম খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, মুনায়েম খানসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।