বুধবার (১৪ মার্চ) সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯’ সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন। সন্ধ্যায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান খানের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, কমিটির বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘সুন্দরবনে মাছ ও অন্যান্য প্রাণী নিধন হচ্ছে। বিষটোপ দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে। জলদস্যু, বনদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। বনবিভাগকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেন, ‘জলমহাল ইজারা বন্দোবস্ত প্রকৃত মৎস্যজীবী সমিতির অনুকূলে দিতে হয়। তাই বলে ইজারা বেশি দেওয়ার প্রবণতা এখানে মোটেও কাম্য নয়।’
ভূমিমন্ত্রী সম্মিলিতভাবে ‘সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯’ এর ওপর আনীত ১৪টি বিষয়ের সংশোধনী অংশ দ্রুত মন্ত্রিপরিষদে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জাতীয় জলমহাল কমিটির সভায় অন্যান্যের মধ্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি সচিব আবদুল জলিল, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন, মৎস্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. নজরুল আনোয়ার, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব আক্তার হোসেন, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লায়লা জেস্মিন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.বি.এম. রুহুল আজাদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মজিবর রহমান ও কামরুল হাসান ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন।